ঝামেলাহীন ভ্যাট নিবন্ধন
আবেদনের কাগজপত্র ও প্রক্রিয়ায় আমরা সাহায্য করি — কী লাগবে, কী করতে হবে, সব পরিষ্কার থাকবে।
সহজ কথায়: ভ্যাট নিবন্ধন সনদ (বিআইএন) পেতে সাহায্য করি, আর প্রতি মাসের ভ্যাট রিটার্ন সময়মতো দাখিল করিয়ে দিই। নতুন ব্যবসা হোক বা চলমান — কাগজপত্রের ঝামেলা আমরা সামলাই।
ইজিবিজ সলিউশনস আপনার ভ্যাট নিবন্ধন ও মাসিক রিটার্নের পুরো কাজ সহজ করে দেয়। নতুন ব্যবসা শুরু করুন বা পুরনো ব্যবসা চালান — কাগজপত্র গুছানো থেকে দাখিল পর্যন্ত আমরা সামলাই, যাতে ভ্যাটের কাজ আর বোঝা না লাগে।
যেখানে দরকার ভ্যাট নিবন্ধন সনদ পাওয়া, আর প্রতি মাসের ভ্যাট রিটার্ন প্রস্তুত ও জমা — ব্যবসার মালিকদের জন্য ভ্যাট কমপ্লায়েন্সকে আমরা সহজ করতে চাই।
আবেদনের কাগজপত্র ও প্রক্রিয়ায় আমরা সাহায্য করি — কী লাগবে, কী করতে হবে, সব পরিষ্কার থাকবে।
ভ্যাট রেকর্ড গুছিয়ে মাসিক রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিলের সমন্বয় করি — নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী।
স্টার্টআপ, ট্রেডিং, সেবা প্রতিষ্ঠান বা পুরনো কোম্পানি — আপনার ব্যবসার ধরন অনুযায়ী সাহায্য সাজাই।
কাজ শুরুর আগেই সেবার পরিধি ও ফি জেনে যাবেন। মূল্য নির্ভর করে আপনার ব্যবসা ও কাজের জটিলতার ওপর।
ভ্যাট রেকর্ড, ইনভয়েস ও সহায়ক কাগজপত্র গুছিয়ে রাখতে সাহায্য করি — রিপোর্টিং সহজ, পরেও কাজে লাগে।
প্রথম নিবন্ধন থেকে প্রতি মাসের রিটার্ন — ভ্যাট কমপ্লায়েন্সের জন্য একটিমাত্র যোগাযোগের জায়গা।
কাগজপত্রে কম সময়, গ্রাহক ও ব্যবসায় বেশি সময়।
আমাদের প্রতিশ্রুতি: ভ্যাট কমপ্লায়েন্স হবে সহজ, গোছানো ও চাপমুক্ত — যাতে আপনি নিশ্চিন্তে ব্যবসা চালাতে পারেন।
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভ্যাট নিবন্ধন সনদ ও বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর — আবেদন থেকে সনদ পর্যন্ত সমন্বয় আমাদেরই।
প্রতি কর মেয়াদের ভ্যাট রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল — সাধারণত পরের মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে।
বিক্রি না থাকলে নিল রিটার্ন, আর যেখানে প্রযোজ্য টার্নওভার-ট্যাক্স রিটার্ন — যাতে বাধ্যবাধকতা ফাঁকা না থাকে।
ইনভয়েস, রেজিস্টার ও সহায়ক কাগজপত্র এক জায়গায় — পরের মাস ও পরের বছরও সহজ হয়।
অনলাইনে অর্ডার করুন বা যোগাযোগ করুন — ব্যবসার ধরন ও কী সেবা চাই, তা জানালেই আমরা শুরু করে দিই।
কী কী কাগজ লাগবে তার পরিষ্কার তালিকা পাবেন; কিছু অসম্পূর্ণ থাকলে ধাপে ধাপে গুছিয়ে নিতে আমরা সাহায্য করি।
ফি আগেই পরিষ্কার দেখবেন, পেমেন্ট করবেন, আর কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা আপনার সঙ্গে সমন্বয় রাখি।
অনুমোদনের পর ভ্যাট সনদ ও বিআইএন আপনার হাতে পৌঁছে যায়। পরের কর মেয়াদ থেকে মাসিক রিটার্নও শুরু করা যায়।
ভ্যাট সনদ শুরু ৳২,০০০ থেকে। মাসিক রিটার্ন দাখিল: প্রকৃত ভ্যাট বা সরকারি দায় + ৳১,০০০ সেবা ফি। চূড়ান্ত ফি ব্যবসার ধরন, লেনদেনের পরিমাণ ও কাজের পরিধির ওপর নির্ভর করতে পারে — কাজ শুরুর আগেই আপনি তা জেনে যাবেন।
ভ্যাট নিবন্ধন সনদ (বিআইএন) — কাগজপত্র ও আবেদনের সমন্বয় আমরা করি।
মাসিক সেবা ফি, সঙ্গে যে ভ্যাট আপনার প্রকৃতপক্ষে দিতে হয়। নিল রিটার্নও, যেখানে প্রযোজ্য।
ভ্যাট সনদ শুরু ৳২,০০০ থেকে। মাসিক রিটার্ন: প্রকৃত ভ্যাট বা সরকারি দায় + সেবা ফি ৳১,০০০। চূড়ান্ত ফি ব্যবসার ধরন ও কাজের পরিধির ওপর নির্ভর করে — কাজ শুরুর আগেই আপনি তা জেনে যাবেন।
| সেবার খরচ | পরিমাণ |
|---|---|
| সরকারি ফি / প্রদেয় ভ্যাট | প্রকৃত পরিমাণ |
| সেবা ফি | সনদ ৳২,০০০ থেকে · মাসিক ৳১,০০০ |
| সর্বমোট | কাজ শুরুর আগেই নিশ্চিত করা হয় |
| প্যাকেজ | শুরু | সময় |
|---|---|---|
| ভ্যাট সার্টিফিকেট (বিআইএন) | ৳2000 | কাগজপত্র তৈরি হলে |
| মাসিক ভ্যাট রিটার্ন (+ প্রকৃত ভ্যাট) | ৳1000 | ১৫ তারিখের আগে |
এটি ভ্যাট কর্তৃপক্ষের দেওয়া সরকারি কাগজ, যা বলে আপনার ব্যবসা ভ্যাটের জন্য নিবন্ধিত। বাংলাদেশে এর সঙ্গে সাধারণত একটি বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) থাকে।
বিআইএন মানে বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর। বাংলাদেশের ভ্যাট ব্যবস্থায় নিবন্ধিত প্রতিটি ব্যবসার এটিই আলাদা পরিচয় নম্বর।
এটি নির্ভর করে ব্যবসার ধরন, টার্নওভার ও প্রচলিত ভ্যাট বিধির ওপর। আপনার নিবন্ধন লাগবে কি না, তা যাচাই করতে আমরা সাহায্য করি।
একটি কর মেয়াদে ব্যবসার প্রাসঙ্গিক লেনদেন, আউটপুট ভ্যাট, গ্রহণযোগ্য ইনপুট ভ্যাট ও অন্যান্য ভ্যাট তথ্যের প্রতিবেদন — সহজ কথায়, ওই মাসের ভ্যাট হিসাব।
যাদের নিবন্ধন ও ব্যবসার ধরন অনুযায়ী মাসিক রিটার্ন বাধ্যতামূলক, তাঁদেরই দাখিল করতে হয়। আপনার ক্ষেত্রে লাগবে কি না, প্রচলিত নিয়ম দেখে নিশ্চিত হওয়া ভালো।
সাধারণত ট্রেড লাইসেন্স, ই-টিন, মালিকের পরিচয়পত্র, ব্যবসার ঠিকানা, ব্যাংক তথ্য এবং কর্তৃপক্ষ যে অন্য কাগজ চায়। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী তালিকা আলাদা হতে পারে।
সাধারণত বিক্রয় ও ক্রয়ের ইনভয়েস, ভ্যাট সংক্রান্ত কাগজ, লেনদেনের সারসংক্ষেপ, ইনপুট ভ্যাটের তথ্য, প্রযোজ্য উৎসে ভ্যাটের রেকর্ড এবং আগের রিটার্নের তথ্য।
দাখিলের সময়সূচি প্রচলিত ভ্যাট বিধি ও করদাতার অবস্থার ওপর নির্ভর করে। যাদের মাসিক রিটার্ন লাগে, তাঁদের প্রতি কর মেয়াদের নির্ধারিত তারিখ মেনে চলতে হয়।
বাংলাদেশে সাধারণত সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদের পরের মাসের ১৫ তারিখ। ছাড় বা বিশেষ পরিস্থিতি থাকতে পারে — আপনার মেয়াদের নির্ধারিত তারিখ যাচাই করে নিন।
হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রে বিক্রি শূন্য হলেও দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকে। নিল রিটার্ন লাগবে কি না, তা নিবন্ধন ও প্রচলিত নিয়মের ওপর নির্ভর করে। আমরা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিল রিটার্নও দাখিল করিয়ে দিই।
সেবা ফি নির্ভর করে ব্যবসার ধরন, কাগজপত্র ও কাজের পরিধির ওপর। ভ্যাট সনদ শুরু ৳২,০০০ থেকে। নির্দিষ্ট কোটেশন নিতে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। প্রযোজ্য সরকারি খরচ আলাদা করে জানিয়ে দেওয়া হয়।
মাসিক সেবা শুরু ৳১,০০০ থেকে, সঙ্গে যে ভ্যাট আপনার প্রকৃতপক্ষে দিতে হয়। চূড়ান্ত ফি লেনদেনের পরিমাণ, হিসাবের অবস্থা ও কতখানি সাপোর্ট লাগবে তার ওপর নির্ভর করতে পারে — কাজ শুরুর আগেই আপনি জেনে যাবেন।
হ্যাঁ। যোগ্য ব্যবসার কাগজপত্র, আবেদন প্রস্তুত ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ার সমন্বয়ে আমরা সাহায্য করি — প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী।
হ্যাঁ। উপযুক্ত পেশাদারদের দিয়ে রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিলের সমন্বয় করি — রেকর্ড গুছানো থেকে নিয়মিত কমপ্লায়েন্স পর্যন্ত।
দেরি বা দাখিল না করলে জরিমানা, সুদ বা অন্য পরিণতি হতে পারে। বকেয়া রিটার্ন দ্রুত গুছিয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজনে পেশাদার পরামর্শ নেওয়া ভালো।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ব্যবসার ধরন ও নিবন্ধন বিধির ওপর নির্ভর করে। অনেক ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স লাগে, তবে সঠিক তালিকা সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কর্তৃপক্ষের কাছে নিশ্চিত করা উচিত।
ব্যবসার তথ্য ও যে সেবা চাই, তা জানিয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমাদের টিম প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সেবা ফি ও পরের ধাপ জানিয়ে দেবে — ভ্যাট নিবন্ধন বা মাসিক রিটার্ন, যা-ই হোক।